Why ৪ দিন পর নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ নৌপথে সি ট্রাক চালু?

 

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক মাসুদ কামাল প্রথম আলোকে বলেন, নৌ-দুর্ঘটনা এড়িয়ে নিরাপদ যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থার জন্য বিআইডব্লিউটিএ এই জাহাজ চালু করেছে। তিনি বলেন, ডাবল ইঞ্জিনের এই জাহাজে ২০০ থেকে ৩০০ জন যাত্রী পরিবহন করতে পারবে।

সি-ট্রাকের মুন্সীগঞ্জগামী যাত্রী সিরাজ সিকদার বলেন, তাঁরা নিয়মিত লঞ্চে যাতায়াত করেন। এই রুটে ছোট লঞ্চ ও দীর্ঘ দিনের পুরাতন লঞ্চ হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সরকার এই রুটের জন্য বড় সরকারি জাহাজ চালু করায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি।

তাজুল ইসলাম নামের এক যাত্রী বলেন, নিরাপদে ও শৃঙ্খলার সঙ্গে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। এই রুটে চলাচলকারী ছোট লঞ্চগুলো জরাজীর্ণ ও অদক্ষ চালক দিয়ে চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে প্রাণহানি ঘটছে। সরকারের উচিত যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সি-ট্রাক এ. এস. টি শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) মালিকানাধীন। সি-ট্রাকটির মাস্টার নূর হোসেন সুমন প্রথম আলোকে বলেন, এই রুটে তাদের সি–ট্রাক নিয়মিত চলবে। যাত্রীপ্রতি ভাড়া মুন্সিগঞ্জে ৪০ টাকা ও মদনগঞ্জে ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সাতটি রুটে প্রতিদিন ৭০টি যাত্রীবাহি লঞ্চ চলাচল করে। এই সাত রুট নারায়ণগঞ্জ-হোমনা উত্তর থানা, নারায়ণগঞ্জ–মতলব থানা, নারায়ণগঞ্জ-চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ-শরীয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ-তালতলা ও নারায়ণগঞ্জ-বাঞ্ছারামপুর। তবে তালতলা ও বাঞ্ছারামপুর রুটে নাব্যতার কারণে লঞ্চ চলাচল বন্ধ আছে। এসব রুটে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন।

বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপপরিচালক (নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক) বাবু লাল বৈদ্য প্রথম আলোকে বলেন, নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ রুটে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করবে সি ট্রাক।এর আগে গত রোববার শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজ রূপসী-৯ এর ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চ এম. এল আফসার উদ্দিন ডুবে ১০ জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর থেকে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়াতে নারায়ণগঞ্জ থেকে পাঁচটি রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিএ।

 

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক মাসুদ কামাল প্রথম আলোকে বলেন, নৌ-দুর্ঘটনা এড়িয়ে নিরাপদ যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থার জন্য বিআইডব্লিউটিএ এই জাহাজ চালু করেছে। তিনি বলেন, ডাবল ইঞ্জিনের এই জাহাজে ২০০ থেকে ৩০০ জন যাত্রী পরিবহন করতে পারবে।

সি-ট্রাকের মুন্সীগঞ্জগামী যাত্রী সিরাজ সিকদার বলেন, তাঁরা নিয়মিত লঞ্চে যাতায়াত করেন। এই রুটে ছোট লঞ্চ ও দীর্ঘ দিনের পুরাতন লঞ্চ হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সরকার এই রুটের জন্য বড় সরকারি জাহাজ চালু করায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি।

তাজুল ইসলাম নামের এক যাত্রী বলেন, নিরাপদে ও শৃঙ্খলার সঙ্গে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। এই রুটে চলাচলকারী ছোট লঞ্চগুলো জরাজীর্ণ ও অদক্ষ চালক দিয়ে চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে প্রাণহানি ঘটছে। সরকারের উচিত যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সি-ট্রাক এ. এস. টি শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) মালিকানাধীন। সি-ট্রাকটির মাস্টার নূর হোসেন সুমন প্রথম আলোকে বলেন, এই রুটে তাদের সি–ট্রাক নিয়মিত চলবে। যাত্রীপ্রতি ভাড়া মুন্সিগঞ্জে ৪০ টাকা ও মদনগঞ্জে ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সাতটি রুটে প্রতিদিন ৭০টি যাত্রীবাহি লঞ্চ চলাচল করে। এই সাত রুট নারায়ণগঞ্জ-হোমনা উত্তর থানা, নারায়ণগঞ্জ–মতলব থানা, নারায়ণগঞ্জ-চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ-শরীয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ-তালতলা ও নারায়ণগঞ্জ-বাঞ্ছারামপুর। তবে তালতলা ও বাঞ্ছারামপুর রুটে নাব্যতার কারণে লঞ্চ চলাচল বন্ধ আছে। এসব রুটে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন।

বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপপরিচালক (নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক) বাবু লাল বৈদ্য প্রথম আলোকে বলেন, নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ রুটে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করবে সি ট্রাক।

Enjoyed this article? Stay informed by joining our newsletter!

Comments

You must be logged in to post a comment.

About Author

I am shohag hasan. I am freelancer.